Responsive Menu with Logo & Banner
Banner

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কি-2025

Picture of মুফতি রেজাউল করিম

মুফতি রেজাউল করিম

প্রফেশনাল ওয়েবসাইট ডিজাইনার

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কি

আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর আলেম আছেন যারা বলেন, নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য বলতে কিছু নেই। তাদের জন্য আজকের প্রবন্ধটি।

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কি?

আল্লাহ তায়ালা পৃথীবীতে যত মাখলুক সৃষ্টি করেছেন সমস্ত মাখলুক কে জোড়া জোড়া  করেই সৃষ্টি করেছেন । ঠিক তেমনি ভাবে আল্লাহ তায়ালা  আশরাফুল মাখলুকাত মানুষ কে ও দু ভাগে তথা নারী ও পুুরুষ  হিসাবে সৃষ্টি করেছেন। নারী -পুরুষের শারীরিক গঠন সক্ষমতা, নিরাপত্তা ইত্যাদি নানা বিষয়ে যেমন পার্থক্য রয়েছে তেমনি পার্থক্য রয়েছে ইবাদত সহ শরীয়তের অনেক বিষয়ে ,যেমন সতর.পুরুষের সতর হচ্ছে নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত,পক্ষান্তরে পর পুরূষের সামনে মহিলার প্রায় পুরো শরীরই ঢেকে রাখা ফরজ।

নারী পুরুষের মাঝে এরকম পার্থক্য সম্বলিত ইবাদত সমুহের অন্যতম হচ্ছে নামায। তাকবিরে তাহরিমার জন্য হাত উঠান ,হাত বাধা,রুকু ও সেজদা,প্রথম ও শেষ বৈঠক ইত্যাদি ক্ষেত্র গুলোতে পুরুষের সাথে নারীর পার্থক্য রয়েছে।  তাদের সতরের পরিমান যেহেতু বেশি,তাই যেভাবে তাদের সতর বেশি রক্ষা করা হয়।

সে দিকটি ও বিবেচনা করা হয়েছে এ ক্ষেত্র গুলোতে,মুসলিম উম্মাহর প্রায় দেড় হাজার বছরের অবিচ্ছন্ন আমলের ধারা তাই বহন করে। বিষয়টি প্রমানিত রাসুল কারীম(সাঃ) এর হাদীস,সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগনের আছারের ও ফতোয়ার মাধ্যমে।

প্রথমে  আমরা মারফু হাদীস এবং পরে পর্যায় ক্রমে সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগনের আছার ও ফতোয়া উল্লেখ করবো।

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কিঃ মারফু হাদীস

হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিত।

قال رسول صـ  اذاجلست المرأة في الصلوة وضعت فخذها علي فخذهاالاخري واذاسجدت الصقت بطنها فيفخذها كأستر مايكون لها وان الله تعاليينظر اليها ويقول يا ملائكتي  اشهدكم اني قد غفرت لها

রাসুলে কারীম(সাঃ)বলেন মহিলা যখন নামাযের মধ্যে বসবে,তখন যেন ডান উরু অপর উরুর উপর রাখে আর যখন সেজদা করবে তখন যেন পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে।যা সতরের জন্য অধিক উপযোগি.আল্লাহ তাআলা (ফেরেস্তাদের সম্বোধন করে)বলেন,হে আমার ফেরেস্তারা তোমরা সাক্ষী থাকো আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম (সুনানে কুবরা,বায়হাকী ২/২২৩)

উল্লেখিত হাদীস দ্বারা একথা স্পষ্ট হয়ে যায় ,যে কিছু কিছু হুকুমের ক্ষেত্রে  মহিলার নামায আদায়ের পদ্বতি পুরুষের নামাজ আদায়ের পদ্বতি থেকে ভিন্ন।বিশেষতউল্লেখিত হাদীস দ্বারা একথা বুঝা গেল যে মহিলার নামায আদায়ের শরীয়ত নির্ধারিত ভিন্ন এই পদ্বতির মধ্যে ঐ দিকটিই বিবেচনায় রাখা হয়েছে যা তার সতর ও পর্দার ক্ষেত্রে সর্বাধিক উপযোগি।

উল্লেখিত হাদীসের সমর্থনে মহিলাদের নামাজ আদায়ের পদ্বতির পার্থক্য ও ভিন্নতাকে নির্দেশ করে এমন আরো কিছু হাদীস রয়েছে ,পক্ষান্তরে এগুলোর সাথে বিরোধ পূর্ণ  একটি হাদীস ও কোথায়ো পাওয়া যাবেনা,যাতে বলা হয়েছে যে পুরুষ ও মহিলার নামাযের পদ্বতিতে কোন পার্থক্য নেই বরং উভয়ের নামাযই এক ও অভিন্ন।

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কি
নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কি

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কিঃ সাহাবায়ে কেরামের ফতোয়া

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)এর ফতোয়া

حدثنا ابو عبد الرحمن المقري عن سعيد بن ابي ايوب عن يزيد بن حبيب عن بكير بنعبدالله بن الاشج عن ابن عباس رضـ أنه سئل عن صلوة المرأة قال تجتمع وتحتقر

ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, মহিলা কিভাবে নামায আদায় করবে? তিনি বললেন, খুব জড়সড় হয়ে অঙ্গের সাথে অঙ্গ মিলিয়ে নামায আদায় করবে।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা হাঃ নাঃ২৭৯৪ ১/২৪২)উপরের হাদীসে আবু আঃ রহমান মুকরী র. ইমামবুখারীর উস্তাদ এবং আরেক জন রাবী য়াঝিদ বিন হাবিব যার ক্ষেত্রে ছিহাহ সিত্তার মুছান্নেফ গন ছিকা বলেছেন)

উপরে মহিলাদের নামাজ আদায় সর্ম্পকে সাহাবীর যে মত বর্নিত হল ,আমাদের জানামতে কোন হাদীস গ্রন্থের কোথায়ো একজন সাহাবী থেকে ও এর বিপরীত কিছু বিদ্যমান নেই। রাসুল সাঃ থেকে সাহাবায়ে কেরাম যে দ্বীন শিখিছেন তাদের কাছ থেকে তা শিখেছেন তাবেয়ীগন.তাদের ফতোয়া থেকে ও এ কথাই প্রতীয়মান হয় যে,মহিলাদের নামাজ পুরুষের নামাজ থেকে ভিন্ন।নি¤েœ তাদের মধ্য থেকে প্রসিদ্ধ কয়েকজনের ফতোয়া  উল্লেখ করা হলো।

আরও পড়ুনঃ নারীর চেহারা সতরের অংশ কি না

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কিঃ তাবেয়ীগনের ফতোয়া

১। তাবেয়ী ইবরাহীম নাখয়ী র.বলেন।

قال اذاسجدت المرأة فلتضم فخذيها والتضع بطنها عليها

অর্থাৎ মহিলা যখন সেজদা করবে তখন যেন সে উভয় উরু মিলিয়ে রাখে এবং পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা হাঃ নাঃ২৭৭৯ . ১/২৪২)উপরের হাদীসের সকল রাবীগন ও মুসলিমের রাবী

২। হাসান বসরী র.বলেনقال المرأة تنضم في السجود

অর্থাৎ মহিলা জড়সড় তথা মিলে থেকে সিজদা আদায় করবে ।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা হাঃ নাঃ২৭৮১. ১/২৪২)

৩।তাবেয়ী ইবরাহীম নাখয়ী র.বলেন।

قال اذاسجدت المرأة فلتلزق بطنها بفخذ يهاولاترفع عجيزلها ولا تجافي كما يجافي الرجل

অর্থাৎ মহিলা যখন সিজদা আদায় করবে তখন পেট কে রানের সাথে মিলিয়ে রাখবে পুরুষেরা যেমন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ফাকা রাখে সেরাকম রাখবেনা।(মুসান্নেফে আবী শায়বা হাঃ নাঃ২৭৮১. ১/২৪২)

৪। হযরত নাফে র.(ইবনে ওমর রাঃ-এর.গোলাম)বলেনقال كن نساء ابن عمريتربعن في الصلوة

অর্থাৎ ইবনে ওমর রাঃ এর পরিবারের মহিলাগন নামাজে আসন দিয়ে বসতেন(আসন দ্বারা উদ্দ্যেশ্য হলো দুই পা ডান দিকে দিয়ে নিতম্বের উপর বসা) (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা হাঃ নাঃ ২৭৮৯. ১/২৪২)

৫।হযরত নাফে র. থেকে আরও বর্ণিত আছেان صفية رضـ كانت تصلي وهي متربعة

 

অর্থাৎ সাফিয়্যাহ রাঃ তিনি নামাজে আসন দিয়ে বসতেন।  (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা হাঃ নাঃ২৭৮৪. ১/২৪২)

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কি?
নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কি?

সুতরাং উল্লেখিত বর্ননা গুলো ছাড়া ও আয়িম্মায়ে তাবেয়ীনগনের আরো কিছু বনর্না এমন আছে যা মহিলা পুরূষের নামাযের পার্থক্য  নির্দেশ করে,পক্ষান্তরে একজন তাবেয়ী থেকে ও এর বিপরিত বক্তব্য প্রমাণিত নেই।

নারী পুরুষের নামাজের পার্থক্য কি কিঃ ফিকহের আলোকে ফতোয়া

ফিকহে ইসলামীর চারটি সংকলন মুসলিম উম্মাহর মাঝে প্রচলিত ফিকহে হানাফী,ফিকহে মালেকী,ফিকহে হাম্বলী ও ফিকহে শাফেয়ী,

চার মাজহাবের  ইমামগনের অভিমত

১।ফিকহে হানাফী

ইমাম আবু হানিফার র.অন্যতম প্রধান শিষ্য ইমাম মুহাঃ র. বলেন

أحب الينا أن تجمع رجليها في جانب ولا تنتصب انتصاب الرجل.

আমাদের নিকট মহিলাদের নামাযে বসার পছন্দীয় মত হলো উভয় পা এক পাশে মিলিয়ে রাখবে,পুরুষের মত এক পা দাড় করে রাখবে না (কিতাবুল আছার /মুহাঃ র. ১/৬০৯)

২।ফিকহে মালেকী

মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ব ফকীহ ইমাম আবুল আব্বাস আল কারাফী র.ইমাম মালেক র.এর মত উল্লেখকরেন।

وأما مساواة النساء للرجال ففي النوادر عن مالك تضعفخذها اليمني  علي اليسري وتنضم قدرطاقتها ولاتفرج فيركوع ولاسجود ولاجلوس بخلاف الرجل

অর্থাৎ নামাযে মহিলা পুরুষের মত কিনা এ বিষয়ে ইমাম মালেক র. থেকে বর্ণিত .মহিলা ডান উরু বাম উরুর উপর রাখবে এবং যথা সম্ভব জড়সড় হয়ে বসবে।রুকু সিজদা ও বৈঠক কোন সময়ই প্রশস্ততা অবলম্বন করবেনা,পক্ষান্তরে পুরুষের পদ্বতি ভিন্ন।(আযযাখীরাইমাম কারাফী ২/১৯৩)

৩।ফিকহে হাম্বলী

ইমাম আহমাদ র.এর ফতোয়া মুগনী নামক কিতাবে ইবনে কুদামা র. উল্লেখ করেন।

فأما المرأةفذكر القاضي فيها روايتين عن احمد إحداهما ترفع لما رويالخلال بإسناده عن ام الدرداء وحفصة بنت سيرين أنها ترفعان أيديهما..والثانية لا يشرع لأنهفي معني التجافي ولا يشرع ذلك لهابل تجمع نفسها في الركوع والسجود وسائر صلاته

অর্থাৎ তাকবিরের সময় মহিলারা হাত উঠাবে কি উঠাবে না এই ব্যাপারে কাজী ইমাম আহমাদ র. এর দুইটি মত আছে।

১। হাত উঠাবে,কেননা খাল্লাল হযরত উম্মে দারদা এবং হাফসা বিনতে সীরীন র. থেকে সনদসহ বর্ননা করেন,যে তারা হাত উঠাতেন

আরও পড়ুনঃ আহলে হাদিস কাকে বলে ও আহলে হাদিস কারা

  ২।হাত উঠাবে না কেননা হাত উঠাতে গেলে কোন না কোন অঙ্গ  ফাকা করতে হয় .অথচ মহিলাদের বিধান দেওয়া হয়নি,বরং তাদের নিয়ম হলো রুকু সেজদা সহ পুরো নামাযে নিজেদের গুটিয়ে রাখবে।(মুগনী .ইবনে কুদামা ২/১৩৯)

৪।ফিকহে শাফেয়ী

ইমাম শাফী র.বলেন

وقد أدب الله تعالي النساء بالاستار وأدبهن بذلك رسول الله صليالله عليه وسلم وأحب للمرأة في السجود أن تضم بعضها إلي بعضوتلصق بطنها بفخذيها وتسجد كأستر مايكون لها وهكذاأحب لهافي الركوع والجلوس وجميع الصلاة أن تكون فيها كأستر مايكون لها

আল্লাহ তায়ালা মহিলাদের কে পুরোপুরি আবৃত থাকার শিক্ষা দিয়েছেন.তার রাসুল সাঃ.ও অনুরুপ শিক্ষা দিয়েছেন।তাই আমার নিকট পছন্দনীয় হলো,সেজদা অবস্থায় মহিলারা এক অঙ্গের সাথে অপর অঙ্গ কে মিলিয়ে রাখবে।পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখবে এবং সেজদা এমন ভাবে করবে যাতে সতরের চুড়ান্ত হেফাজত হয়।অনুরুপ রুকু বৈঠক ও গোটা নামাযে এমন ভাবে থাকবে,যাতে সতরের পুরোপুরি হেফাজত হয়।(কিতাবুল উম্ম ১/১৩৮)

তাহলে দেখা যাচ্ছে হাদীসে রাসুল,সাহাবা ও তাবেয়ীগনের ফতোয়া ও আছারের মতই.চার মাযহাবের চার ইমামের প্রত্যেকেই পুরুষের সাথে মহিলাদের নামাযে পার্থক্যর কথা বলেছেন.মুসলিম উম্মাহর কেউ বলছেন না যে মহিলাদের নামাজ পুরুষদের নামাজের অনুরুপ।বরং সকলেই বলেছেন যে পুরুষের নামায থেকে মহিলার নামায কিছু টা ভিন্ন।

নারী ও পুরুষের নামাযের এই পার্থক্য শুধু যে এ চার মাযহাবের উলামায়ে কেরামগনই ব্যক্ত করেছেন বিষয় টি এমন নয়,বরং কিছু  লা-মাযহাবী ভায়েরা এ পার্থক্য কে অস্বীকার করলেও তবে তাদের কোন কোন অলেম এ পার্থক্য কে স্বীকার করেছেন।

মাওলানা মুহাঃ দাউদ গযনবী র.এর পিতা আল্লামা আঃ জাব্বার গযনবী র. কে জিজ্ঞাসা করা হলো,মহিলাদের নামাযে জড়সড় হয়ে থাকা কি উচিৎ? জবাবে তিনি একটি হাদীস উল্লেখ করে লিখেন, এর উপরই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের চার মাযহাব ও অন্যন্যদের মাঝে আমল চলে আসছে ।

এর পর তিনি চার মাযহাবের কিতাবের উদ্বৃতি প্রদান করার পর লেখেন,মোট কথা,মহিলাদের জড়সড় হয়ে নামায পড়ার বিষয়টি হাদীস ও চার মাযহাবের ইমামগন ও অন্যন্যের সর্ব সম্মত আমলের আলোকে প্রমাণিত।এর অস্বীকার কারী হাদীসের কিতাব সমুহ ও উম্মতের সর্ব সম্মত আমল সম্পর্কে বেখবর ও অজ্ঞ।

এমনকি লা-মাযহাবীদের বড় একজন আলেম নবাব সিদ্দীক হাসান খান”আউনুল বারী”নামক কিতাবে

নারী পুরূষের নামাযের পার্থক্যের কি কি?

এবং পার্থক্য আছে বলে তার  মত ব্যক্ত করেছেন ।

আল্লাহ আমাদের সকল কে সহীহ ভাবে বিষয় টি অনুধাবন করার তৌফিক দান করুন আমীন ছুম্মা আমীন।

 

👁️ পড়া হয়েছে: ৮ বার

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার পরিচতদের সাথে শেয়ার করুন

Facebook
Twitter
Print
WhatsApp
LinkedIn
Telegram

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পর্কিত পোস্ট

পুঁজি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া ছোট ব্যবসার আইডিয়া এবং সফল হওয়ার ৩টি মূলমন্ত্র

পুঁজি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া ছোট ব্যবসার আইডিয়া এবং সফল হওয়ার ৩টি মূলমন্ত্র

পুঁজি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া ছোট ব্যবসার আইডিয়া এবং সফল হওয়ার ৩টি মূলমন্ত্র বর্তমান সময়ে বেকারত্ব আমাদের দেশের একটি বড় সমস্যা। অনেকেই পড়াশোনা শেষ করে ভালো

পুঁজি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া ছোট ব্যবসার আইডিয়া এবং সফল হওয়ার ৩টি মূলমন্ত্র

অলসতা দূর করার উপায়: জীবন বদলে দেওয়ার আধুনিক গাইড

অলসতা দূর করার উপায়: জীবন বদলে দেওয়ার আধুনিক গাইড আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই কোনো না কোনো সময় আলস্য গ্রাস করে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের এই ডিজিটাল

পুঁজি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া ছোট ব্যবসার আইডিয়া এবং সফল হওয়ার ৩টি মূলমন্ত্র

বিক্রি বাড়ানোর কৌশল: অনলাইন ব্যবসায় ১০ গুণ প্রবৃদ্ধি আনুন

বিক্রি বাড়ানোর কৌশল: অনলাইন ব্যবসায় ১০ গুণ প্রবৃদ্ধি আনুন বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে শুধু ভালো পণ্য থাকলেই ব্যবসা সফল হয় না। পণ্যটি যে সত্যিই ভালো, তার

জালিমের জুলুম থেকে বাঁচার দোয়া: Mufti Rejaul Karim

জালিমের জুলুম থেকে বাঁচার দোয়া: Mufti Rejaul Karim

জালিমের জুলুম থেকে বাঁচার দোয়া: Mufti Rejaul Karim আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা সেই মহান সত্তার, যিনি আমাদের ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ধর্ম ইসলাম

জালিমের জুলুম থেকে বাঁচার দোয়া: Mufti Rejaul Karim

পহেলা বৈশাখ: ইসলাম কী বলে? Mufti Rejaul Karim

মুহতারাম হাজিরিন, বাংলা বর্ষপঞ্জির হিসেবে আরও একটি বছর আমাদের জীবন থেকে বিদায় নিল এবং নতুন একটি বছর শুরু হলো । সময়ের এই পরিবর্তন আমাদের স্মরণ

জালিমের জুলুম থেকে বাঁচার দোয়া: Mufti Rejaul Karim

এ সপ্তাহের জুমার বয়ান: Mufti Rejaul Karim

এ সপ্তাহের জুমার বয়ান: Mufti Rejaul karim মুমিনের আত্মশুদ্ধি ও মহান আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে বাঁচার উপায় আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আজকের জুমার এই বরকতময় মজলিসে

বিজ্ঞাপন

বিশ্ব ভালোবাসা  দিবস নিয়ে ইসলাম কি বলে

আমার সাথে কাজ করতে আগ্রহী? চলুন শুরু করা যাক!

50+ ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি।  ৪ বছরের অভিজ্ঞতা। ক্লায়েন্ট সন্তুষ্টির হার 100% এবং পুনরাবৃত্ত গ্রাহকের হার 70 % । আপনার ব্যবসার জন্য সেরা ওয়েবসাইট  পেতে এখনই যোগাযোগ করুন।