Responsive Menu with Logo & Banner
Banner

বেগম রোকেয়ার জীবনী: সমালোচনা অংশ

Picture of মুফতি রেজাউল করিম

মুফতি রেজাউল করিম

প্রফেশনাল ওয়েবসাইট ডিজাইনার

বেগম রোকেয়ার জীবনী

বেগম রোকেয়ার জীবনীঃ সমালোচনা অংশ

বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়ার জীবনী আমাদের সমাজে এক অনন্য প্রেরণার উৎস। বেগম রোকেয়ার জীবনী বাংলার নারীশিক্ষা, স্বাধীনচেতা মনন এবং সামাজিক সংস্কারের পথ দেখায়। তাঁর সংগ্রামী জীবনের প্রতিটি অধ্যায় তুলে ধরে স্বশিক্ষা, সচেতনতা ও মানবিকতার বার্তা। বেগম রোকেয়ার জীবনী শুধু ইতিহাস নয়, আজকের সমাজের জন্যও একটি শক্তিশালী দিকনির্দেশনা। নারী-পুরুষ সমতার অঙ্গীকারেও বেগম রোকেয়ার জীবনী এক উজ্জ্বল উদাহরণ। তাই বেগম রোকেয়ার জীবনী পাঠ আমাদের প্রত্যেকের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। আজকে আমরা জানব তার সমালোচনার দিকগুলো।

রোকেয়ার জন্মদিন ‘উদযাপন’-এ ইসলাম নিয়ে তার বিশেষ উক্তিগুলো-

“আমাদিগকে প্রতারণা করিবার নিমিত্ত পুরুষগণ ঐ ধর্মগ্রন্থগুলিকে “ঈশ্বরের আদেশপত্র” বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন। পুরাকালে যে ব্যক্তি প্রতিভাবলে দশজনের মধ্যে পরিচিত হইয়াছেন, তিনিই আপনাকে ঈশ্বরপ্রেরিত দূত কিংবা দেবতা বলিয়া প্রকাশ করিয়া অসভ্য বর্বরদিগকে শাসন করিতে চেষ্টা করিয়াছেন।…

ক্রমে জগতের বুদ্ধি বেশি হওয়ায় সুচতুর প্রতিভাশালী পুরুষ দেখিলেন যে, পয়গম্বর” বলিলে আর লোকে বিশ্বাস করে না। তখন মহাত্মা ঈশা আপনাকে দেবতার অংশবিশেষ (ঈশ্বরপুত্র !) বলিয়া পরিচিত করিয়া ইঞ্জিল গ্রন্থ রচনা করিলেন। তাহাতে লেখা হইল, ‘নারী পুরুষের সম্পূর্ণ অধীনা—নারীর সম্পত্তিতে স্বামী সম্পূর্ণ অধিকারা।’ আর বুদ্ধি—বিবেকহীনা নারী তাই মানিয়া লইল।

তারপর মহাত্মা মহম্মদ আইন প্রস্তুত করিলেন যে, ‘রমণী সর্ব্বদাই নরের অধীনা থাকিবে, বিবাহের পূর্ব্বে পিতা কিংবা ভ্রাতার অধীনা, বিবাহের পর স্বামীর অধীনা, স্বামী অভাবে পুত্রের অধীনা থাকিবে।’ আর মূর্খ নারী নত মস্তকে ঐ বিধান মানিয়া লইল।

ভগিনি, তোমরা দেখিতেছ এই ধর্ম্মশাস্ত্রগুলি পুরুষরচিত বিধি ব্যবস্থা ভিন্ন আর কিছুই নহে। মুনিদের বিধানে যে কথা শুনিতে পাও, কোন স্ত্রী মুনির বিধানে হয়ত তাহার বিপরীত নিয়ম দেখিতে পাইতে। ধর্মগ্রন্থসমূহ ঈশ্বরপ্রেরিত বা ঈশ্বরাদিষ্ট নহে। যদি ঈশ্বর কোন দূত রমণীশাসনের নিমিত্ত প্রেরণ করিতেন, তবে সে দূত কেবল এসিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকিতেন না। দূতগণ ইউরোপে যান নাই কেন? আমেরিকা এবং সুমেরু হইতে কুমেরু পর্যন্ত যাইয়া “রমণীজাতিকে নরের অধীন থাকিতে হইবে” ঈশ্বরের এই আদেশ শুনান নাই কেন? ঈশ্বর কি কেবল এসিয়ারই ঈশ্বর? আমেরিকার কি তাঁহার রাজত্ব ছিল না? ঈশ্বরদত্ত জল বায়ু ত সকল দেশেই আছে—কেবল দূতগণ সৰ্ব্বদেশময় ব্যাপ্ত হন নাই কেন? যে কথা পুরাকালে অসভ্য বর্ব্বরগণ বিশ্বাস করিয়াছিল, তাহা বর্ত্তমান কালের সুসভ্যগণ যদি বিশ্বাস করেন, তবে সভ্যতায় ও অসভ্যতায় প্রভেদ কি? যাহা হউক এখন আমরা আর ধর্ম্মের নামে নতমস্তকে নরের প্রভুত্ব সহিব না।  [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৬১০-৬১১, ৫৯৪]

দাসত্বের বিরুদ্ধে কখনও মাথা তুলিতে পারি নাই, তাহার প্রধান কারণ এই যে, যখনই কোনো ভগিনী মস্তক উত্তোলনের চেষ্টা করিয়াছেন, অমনি ধর্ম্মের দোহাই বা শাস্ত্রের বচনরূপ অস্ত্রাঘাতে তাঁহার মস্তক চূর্ণ হইয়াছে ! আমরা প্রথমতঃ যাহা সহজে মানি নাই, তাহা পরে ধর্ম্মের আদেশ ভাবিয়া শিরোধার্য্য করিয়াছি। [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৬১০]

“এখন মুসলমান সমাজে প্রবেশ করা যাউক। মুসলমানের মতে আমরা পুরুষের ‘অর্দ্ধেক’, অর্থাৎ দুইজন নারী একজন নরের সমতুল্যা। অথবা দুইটি ভ্রাতা ও একটি ভগিনী একত্র হইলে আমরা ‘আড়াই জন’ হই!…আপনারা ‘মুহম্মদীয় আইনে’ দেখিতে পাইবেন যে বিধান আছে, পৈতৃক সম্পত্তিতে কন্যা পুত্রের অর্দ্ধেক ভাগ পাইবে।…

[কিন্তু] আমরা ঈশ্বর ও মাতার নিকট ভ্রাতাদের ‘অর্দ্ধেক’ নই। তাহা হইলে এইরুপ স্বাভাবিক বন্দোবস্ত হইত—পুত্র যেখানে দশ মাস স্থান পাইবে, দুহিতা সেখানে পাঁচ মাস!!…আমরা জননীর স্নেহ মমতা ভ্রাতার সমানই ভোগ করি। মাতৃহৃদয়ে পক্ষপাতিতা নাই। [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ২৯,৩১]

যিনি যত বেশি পর্দ্দা করিয়া গৃহকোণে যত বেশি পেঁচকের মত লুকাইয়া থাকিতে পারেন, তিনিই তত বেশি শরীফ [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৩৮৫]

ট্রেণ আসিবার সময় জনৈক ইংরাজ কর্মচারী ভাঙ্গা ভাঙ্গা হিন্দিতে হাজী সাহেবকে বলিলেন, “মুন্সি ! তোমারা আসবাব হিয়াসে হাটা লো। আভি ট্রেণ আয়েগা—প্লাটফরম পর খালি আদমি রহেগা—আসবাব নেহি রহেগা।” হাজী সাহেব যোড়হস্তে বলিলেন, “হুজুর, ঐ সব আসবাব নাহি—আওরত হায়।” কর্মচারিটী পুনরায় একটা “বস্তায়” জুতার ঠোকর মারিয়া বলিলেন, “হা, হা–এই সব আসবাব হাটা লো।” বিবিরা পর্দার অনুরোধে জুতার গুতা খাইয়াও টু শব্দটী করেন নাই। [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা 387]

 [এক মহিলা] কোনো বাঙ্গালী ভদ্রলোকের বাড়ী শাদীর নিমন্ত্রণে গিয়াছিলেন। তাঁহাকে [বোরকা সহ] দেখিবামাত্র সেখানকার ছেলে-মেয়েরা ভয়ে চীৎকার করিয়া কে কোথায় পলাইবে, তাহার ঠিক নাই। [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৪০০]

আরো পড়ুন: ওরাল সেক্স কি? ওরাল সেক্স কি হারাম

[সেই মহিলা] একবার কলিকাতায় আসিয়াছিলেন। তাঁহারা চারি পাঁচ জনে বোরকাসহ খোলা মোটরে বাহির হইলে পথের ছেলেরা বলিত, “ওমা! ওগুলো কি গো?” একে অপরকে বলে “চুপ কর!-এই রাত্রিকালে ওগুলো ভূত না হয়ে যায় না।” বাতাসে বোরকার নেকাব একটু আধটু উড়িতে দেখিলে বলিত— “দেখরে দেখ। ভূতগুলোর শুঁড় নড়ে—! বাবারে! পালা রে!” [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১]

পথের লোক রোরুদ্যমান শিশুকে চুপ করাইবার নিমিত্ত তাঁহাদের দিকে অঙ্গুলী নির্দ্দেশ করিয়া বলিত,—“চুপ কর, ঐ দেখ মক্কা মদিনা যায়,—ঐ!”-ঘেরাটোপ জড়ানো জুজুবুড়ী,—ওরাই মক্কা মদিনা!!” [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৪০১]

“গত বৎসর পর্য্যন্ত আমি আলীগড়ে ছিলাম। যেহেতু সেখানকার ষ্টেশন একরূপ জাঁকজমকে ই. আই. আর. লাইনে অদ্বিতীয় বোধ হয়, সেই জন্য আমি প্রত্যহই পদব্রজে ভ্রমণের সময় ষ্টেশনে যাইতাম। সেখানে অন্যান্য তামাসার মধ্যে অনেকগুলি ১৩শ শতাব্দীর বোরকা আমার দৃষ্টিগোচর হইয়াছিল। আর খোদা মিথ্যা না বলান, প্রত্যেক বোরকাই কোনো না কোনো প্রকার কৌতুকাবহ ছিল।” [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৪১২]

10 Best Gemini prompts template

বেগম রোকেয়ার জীবনীঃ সমালোচনা অংশ

রোকেয়ার আফসোস, “কেন আসিলাম হায়! এ পোড়া সংসারে । কেন জন্ম লভিলাম পর্দ্দা-নশীন ঘরে!” [রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৪১৪]

[সচরাচর কিছু শেয়ার করার কথা বলি না। তবে এটা কপি পেস্ট করে শেয়ার করতে পারেন সকলে।]

আমাদের প্রিয় রাসূল ﷺ-কে প্রতারক, ভণ্ড দাবি করে বেগম রোকেয়া বলেন,

“তারপর মহাত্মা মহম্মদ আইন প্রস্তুত করিলেন যে, “রমণী সর্ব্বদাই নরের অধীনা থাকিবে, বিবাহের পূর্বে পিতা কিংবা ভ্রাতার অধীনা, বিবাহের পর স্বামীর অধীনা, স্বামী অভাবে পুত্রের অধীনা থাকিবে।” আর মূর্খ নারী নত মস্তকে ঐ বিধান মানিয়া লইল [1]।”

আগে-পরের অংশ সামনে রাখলে রোকেয়ার এই অনুচ্ছেদের সারাংশ দাঁড়ায়—

  • পবিত্র কুরআন এবং মুহাম্মাদ সাঃ-এর হাদিস ও সুন্নাহ বানোয়াট। আল্লাহর সঙ্গে সেসবের কোনো সম্পর্ক নেই।
  • মুহাম্মাদ সাঃ আল্লাহর প্রেরিত নবী ছিলেন না।
  • যেহেতু মুহাম্মাদ সাঃ আল্লাহর প্রেরিত কেউ নন, বস্তুত তিনি একজন ভণ্ড, প্রতারক ও মিথ্যুক।
  • উম্মাহাতুল মুমিনীন [2] সহ নারী সাহাবীগণ সকলেই ছিলেন মূর্খ। নতুবা তারা মুহাম্মাদ সাঃ-এর বানোয়াট বিধান বিনা বাক্যে মেনে নিতেন না (নাউযুবিল্লাহ)।

❏ আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে রাসূল সাঃ, কুরআন ও হাদিসের সত্যতা সম্পর্কে অজস্র আয়াত নাযিল করেছেন। সেসব থেকে অল্প কিছু আয়াত দেখা যাক—

 “আমি তোমাকে সত্যদ্বীনসহ সুসংবাদদাতা এবং ভয় প্রদর্শনকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি, জাহান্নামীদের সম্বন্ধে তোমাকে কোনো প্রশ্ন করা হবে না।” (সূরা বাকারা ০২:১১৯)

“আমি তোমাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না। (সূরা সাবা ৩৪:২৮)

“যে রসূলের আনুগত্য করল, সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করল, কেউ মুখ ফিরিয়ে নিলে (জোরপূর্বক তাকে সৎপথে আনার জন্য) আমি তোমাকে তাদের প্রতি পাহারাদার করে পাঠাইনি।” (সূরা নিসা ০৪:৮০)

 “এটা ঐ (মহান) কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য পথ নির্দেশ।” (সূরা বাকারা ০২:০২)

এছাড়াও বহু আয়াত রয়েছে, যেখানে রাসূল সাঃ ও কুরআন সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন।

❏ রাসূলের (সাঃ) এর শেখানো শরিয়াহ ও বিধানের ব্যাপারে মুমিনদের আচরণ কেমন হবে, আল্লাহ তাআলা সে সম্পর্কেও সতর্ক করে বলেন,

“মু’মিনদেরকে যখন তাদের মাঝে ফয়সালা করার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রসূলের দিকে ডাকা হয়, তখন মু’মিনদের জওয়াব তো এই হয় যে, তারা বলে, আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম, আর তারাই সফলকাম।” (সূরা আন-নূর ২৪:৫১)

অর্থাৎ মুমিনদের কর্তব্য হল রাসূলের নির্দেশ শোনামাত্র এ কথা বলা ও বিশ্বাস করা যে, “আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম”। তাতে সন্দেহের কোনো সুযোগ নেই। আর তারাই সফল, যারা তাঁর আনুগত্যের পথ অবলম্বন করে।

আরো পড়ুন: ইসকন কি? বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রম

❏ নারীরা সবসময় পুরুষদের নিরাপত্তার চাঁদরে সুরক্ষিত থাকবেন—এ ফয়সালা মাটির পৃথিবীতে নয়, আসমান থেকে হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,

“পুরুষগণ নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল এ কারণে যে, আল্লাহ তাদের এককে অন্যের উপর মর্যাদা প্রদান করেছেন, আর এজন্য যে, পুরুষেরা স্বীয় ধন-সম্পদ হতে ব্যয় করে। ফলে পুণ্যবান স্ত্রীরা (আল্লাহ ও স্বামীর প্রতি) অনুগতা থাকে এবং পুরুষের অনুপস্থিতিতে তারা তা (অর্থাৎ তাদের সতীত্ব ও স্বামীর সম্পদ) সংরক্ষণ করে যা আল্লাহ সংরক্ষণ করতে আদেশ দিয়েছেন…।” (সূরা নিসা ০৪:৩৪)

অর্থাৎ পুরুষরা নারীদের উপর কতৃত্বশীল, এটা আল্লাহ তাআলারই বিধান। আর পুরুষ ও নারী—উভয়ের উপর কতৃত্বশীল একজন। তিনি আমাদের রব, মহান আল্লাহ তাআলা। কিন্তু রোকেয়া এগুলো অস্বীকার করেছেন।

রোকেয়ার ব্যাপারে কেন আমাদের সংশয় নিরসন জরুরী?

কারণ এমন কোন ব্যক্তিকে আমরা নিজেদের মা বোনদের আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারি না, যিনি আমাদের রাসূল সা:-কে প্রতারক দাবি করেন, শরিয়াহ আইনকে কটাক্ষ করে “মুহম্মদীয় আইন” নাম দেন। তাই কাফির সেকুলারদের কাছে রোকেয়ার পরিচয় যাই হোক, মুসলিমদের কাছে রোকেয়ার সবচে বড় পরিচয় হবে “রাসূল সাঃ-এর অবমাননাকারী রোকেয়া”। ফুল স্টপ।

[রোকেয়াকে নিয়ে ভিডিও পাবলিশের পর অনেক হুজুগে বান্দা দাবি করেছেন, রোকেয়া এসব কাজ সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে করেছেন। আমাদেরকে সে কনটেক্সট বুঝতে হবে।

পরিস্থিতি যত খারাপই থাকুক। রাসূল সাঃ-কে মিথ্যুক, ভণ্ড নবী বলার কোন যুক্তিই থাকতে পারে না। কোন মুসলিম সজ্ঞানে এসব কুযুক্তি দিতে পারে না। আর প্রমাণ ছাড়া রাসূল অবমাননার পক্ষে মুসলিমরা কিভাবে অবস্থান নেয়?]

নারী জাগরণ ও সমাজ সংস্কারের বিশাল দৃষ্টান্ত হিসেবে বেগম রোকেয়ার জীবনী আমাদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। শিক্ষা ও সমতার পথে তাঁর নিরন্তর সংগ্রাম বেগম রোকেয়ার জীবনীকে করে তুলেছে ইতিহাসের এক অনন্য সম্পদ। মানবমুক্তির যে বার্তা তিনি দিয়েছেন, তা বেগম রোকেয়ার জীবনীর মধ্য দিয়ে আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন ও দৃঢ় করে তুলতে বেগম রোকেয়ার জীবনী গুরুত্বপূর্ণ আলো হিসেবে কাজ করবে। সমাজ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা হিসেবে বেগম রোকেয়ার জীবনী আমাদের সকলের জন্যই চিরপ্রাসঙ্গিক।

👁️ পড়া হয়েছে: ২৬ বার

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার পরিচতদের সাথে শেয়ার করুন

Facebook
Twitter
Print
WhatsApp
LinkedIn
Telegram

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পর্কিত পোস্ট

আরাফার দিনের রোজার ফজিলত

আরাফার দিনের রোজার ফজিলত: মুফতি রেজাউল করিম

সূচিপত্র লুকান আরাফার দিনের রোজার ফজিলত: মুফতি রেজাউল করিম আরাফাহ দিবস কী? আরাফার দিনের রোজার ফজিলত: মুফতি রেজাউল করিম আমরা কেন আরাফাহ দিবসে রোজা রাখি?

আরাফার দিনের রোজার ফজিলত

কোরবানির পশুর জবেহ করার সময়ের দোয়া: মুফতি রেজাউল করিম

সূচিপত্র লুকান কোরবানির পশুর জবেহ করার সময়ের দোয়া: মুফতি রেজাউল করিম মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোরবানি করার সময় বলা যায়: কোরবানি করার আদবসমূহ কোরবানি করার

কুরবানির গোস্ত বন্টনের নিয়ম

কুরবানির গোস্ত বন্টনের নিয়ম: Mufti Rejaul Karim

সূচিপত্র লুকান কুরবানির গোস্ত বন্টনের নিয়ম কুরবানীর গোস্ত তিন ভাগ করে বন্টন করা কী জরুরী? প্রশ্ন: আমার স্বামী বিদেশে আছেন এবং তাঁর মা আমার সাথেই

শাপলা চত্বরের ইতিহাস ও মুফতি রেজাউল করিম একটি রক্তঝরা অধ্যায়ের প্রত্যক্ষদর্শী

শাপলা চত্বরের ইতিহাস ও মুফতি রেজাউল করিম: একটি রক্তঝরা অধ্যায়ের প্রত্যক্ষদর্শী

সূচিপত্র লুকান বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসে ৫ই মে ২০১৩ একটি অবিস্মরণীয় এবং একইসাথে বেদনাবিধুর দিন। শাপলা চত্বরের ইতিহাস বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে

Digital Product Selling Website | Mufti Rejaul Karim

মুফতি রেজাউল করিম – প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার এবং ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেলার

সূচিপত্র লুকান মুফতি রেজাউল করিম – প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার এবং ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেলার এবার আসুন মুফতি রেজাউল করিম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই। মুফতি রেজাউল করিম

Digital Product Selling Website | Mufti Rejaul Karim

পুঁজি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া ছোট ব্যবসার আইডিয়া এবং সফল হওয়ার ৩টি মূলমন্ত্র

সূচিপত্র লুকান পুঁজি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া ছোট ব্যবসার আইডিয়া এবং সফল হওয়ার ৩টি মূলমন্ত্র কেন আপনি শূন্য থেকে শুরু করবেন? পুঁজি ছাড়া ব্যবসার ৩টি মূলমন্ত্র

বিজ্ঞাপন

বিশ্ব ভালোবাসা  দিবস নিয়ে ইসলাম কি বলে

আমার সাথে কাজ করতে আগ্রহী? চলুন শুরু করা যাক!

50+ ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি।  ৪ বছরের অভিজ্ঞতা। ক্লায়েন্ট সন্তুষ্টির হার 100% এবং পুনরাবৃত্ত গ্রাহকের হার 70 % । আপনার ব্যবসার জন্য সেরা ওয়েবসাইট  পেতে এখনই যোগাযোগ করুন।